চাকরিতে প্রবেশের কোনো ধরাবাঁধা বয়সসীমা নয়, যেকোনো বয়সে চাকরিতে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ হতে পারে মনে করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বুধবার সচিবালয়ে অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়াতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছে চাকরিপ্রার্থীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে সরকার চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানোর কথা ভাবছে বলে সম্প্রতি জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

তবে এ নিয়ে প্রশাসনে আলোচনা চললেও সরকারের এই মেয়াদে বয়সসীমা বাড়ছে না বলে বলে ইঙ্গিত দেন অর্থমন্ত্রী। একই সঙ্গে চাকরি থেকে অবসরের বয়সও বাড়ছে না বলে জানান তিনি।

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩২ বছর করার ব্যাপারে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় প্রস্তাব দেবে- এ বিষয়ে তার অভিমত কী জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমার কোনো আপত্তি নেই। আমার মতে সরকারি চাকরি হওয়া উচিত কন্ট্রাক বেসিসে (চুক্তিভিত্তিক)। যেকোনো বয়সে যে কেউ চাকরি পাবে (এভরিওয়ান শুড বি গিভেন এ জব ফর টেন ইয়ার্স, ফিফটিন ইয়ার্স… এনি বয়সে)।’

এ বিষয়ে আপনাদের কোনো পরিকল্পনা আছে কি না- জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বয়স বাড়ানোর পরিকল্পনা আমার ছিল। আমি প্রস্তাবও দিয়েছিলাম। কিন্তু ওইটা বাস্তবায়ন হয়নি। আমার মনে হয় নির্বাচনের আগে এসব ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আসবে না।’

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর। আর অবসরের বয়স ৫৯ বছর।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর থেকে বাড়িয়ে ৩৫ বছর এবং অবসরের বয়সসীমা ৫৯ বছর থেকে বাড়িয়ে ৬৫ বছর করার সুপারিশ করে।

তবে চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩২ বছর করার একটি আলোচনা সরকারের ভেতর চলছে।

Leave a Reply

  • (not be published)