নারী
রং তুলি

সূর্য ওঠে,সাথে নিয়ে আসে সোনালী ভোর
সেই সাথে তীর্যক আলোরছটা আর তেজ,
সূর্য আলোর নোঙর ফেলে দূর করে আঁধার
ধ্রুপদী পান্ডুলিপি লিখে পৃথিবী হেসে ওঠে।
সেই হাসি নারীর চিবুক স্পর্শ করে জন্ম দেয়
নব উপাখ্যান।
দুপুরের খরতাপে চেতনা পুড়িয়ে দ্রোহের
মাঠঘাট ভেঙ্গে শিল্পের নগরীতে নারী
মহাহিসেবের ঘাম, রক্ত,পুঁজের ক্লেদে জমা
রোজনামচায় নিজেকে আবিস্কার করে সে
শিল্পী।

সে ভাস্কোডাগামার মতো সমুদ্র আবিস্কার করে
কলম্বাসের মতো আমেরিকা, লিউনার্দোর চিত্রকলায় মোনালিসা হয়ে সে প্রকৃতির হাসিকে জয় করে।
নারী অনবদ্য,তাঁর স্পর্শে কুঁকড়ে ওঠে স্বেচ্ছাচারী
ফেরাউন,বেদের শ্লোক নতুন করে পাঠকরে স্বন্ত।

নারী রোদ ছুঁয়ে আসে বলে সূর্য বারবার ওঠে
ঘাসের বুকে জ্বলোচ্ছাসের ফুল ফোটে।
নারী কাঁদে বলে আকাশের বুকে জলফোয়ারা
ফুলে ফেঁপে ওঠে,প্লাবনের গান গায় জলস্রোত।
মুগ্ধ মাতাল পৃথিবীতে নারীর জাগরন ধ্বংস করে
ভূতের নিবাস।

ফিনফিনে রেশমী স্বপ্নবুনে যুগের বিহানে
নারী হুইসেল বাজিয়ে জবান খোলে দৈত্যের ঠাকুর
মা ঝুলি।
আজাদী নারী জাগরনের গান গেয়ে মুক্তিত্রাতা হয়ে
ওঠে আারেক নিপীড়িত নারীর।

Leave a Reply

  • (not be published)