৭ নভেম্বর শুভ মুক্তি ‘হরিজন‘ : আফফান মিতুলের অভিনয় প্রশংশিত

৭ নভেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ‘হরিজন‘। মির্জা সাখাওয়াত হোসেনের রচনা ও পরিচালনায় সরকারী অনুদানে নির্মিত হরিজন ।  এ ছবিতে অভিনয় করেছেন রোকেয়া প্রাচী, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়,আফফান মিতুল, মামুনুর রশিদ, জামিলুর রহমান শাখা, মাহমুদ সাজ্জাদ. ইকবাল বাবু , নির্জনা, আবদুর রহমান, মির্জা আফরিন, শুভরাজ শিশুশিল্পী সৃষ্টি মির্জা ও আরজুমান্দ আরা বকুল প্রমুখ।গান গেয়েছেন এন্ড্রু কিশোর, কনকচাঁপা, মমতাজ ও ঝংকার।

সরকারী অনুদানে নির্মিত এ ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন আফফান মিতুল। তিনটি ছবি মুক্তি পেলেও হরিজন তার প্রথম অভিনীত চলচ্চিত্র। এর আগে মুক্তি পায় যেগুলো সেগুলোর মধ্যে  ‘নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ’ উল্যেখযোগ্য।

নবিন অভিনেতা আফফান মিতুল ভুঁইমালি চরিত্রে অভিনয় করছেন। সমাজে নিচু জাতের শ্রেণী সংঘাত এই ছবির মূল উপজীব্য। এখনও সমাজের নানা বিধি নিষেধের মধ্যে বেড়ে উঠে হরিজনরা। এমনই একটি পোড় খাওয়া ও সমাজের চোখে ঘৃণিত কিন্তু আত্ম বিশ্বাসে বলিয়ান এক সংগ্রামী যুবকের অভিনয় করেছেন মিতুল।

মুভি বাংলায় চাকরিরত মিতুল অভিনয়কে পেশা হিসেবে নিতে চান। ইতিমধ্যেই তার হাতে রয়েছে ১২টি চলচ্চিত্র। এগুলো হলো হচ্ছে শহীদুল হক খানের ‘আমার পিরানের কোন মাপ নেই’, ফারুক হোসেনের ‘কাকতাড়ুয়া’, তারেক মাহমুদের ‘চটপটি’, মিল্কি মতিনের ‘ডিঙ্গি’, জাঁ-নেসার ওসমানের ‘পঞ্চসঙ্গী’, নার্গিস আক্তারের ‘যৈবতী কন্যার মন’, রোমিও নীলের ‘সাইকেল’, আহমেদ জামান সঞ্জীবের ‘উঁইপোকা’, রেজা হাসমতের ‘বোঝে না মন’, আবুল খায়ের রফিকের ‘খরা ও নারী’, ফরিদ জামানের নাম ঠিক না হওয়া একটি চলচ্চিত্র এবং মাজহারুল ইসলাম সাগরের ‘সন্তানের হাতে মায়ের মৃত্যু’।

হরিজন নিয়ে আফফান মিতুল অনেক উচ্ছসিত। তিনি  সময় নিউজকে টেলিফোন সাক্ষাতকারে বলেন,‘ সমাজের  অতিপ্রয়োজনীয় অথচ অবহেলিত এক শ্রেনিগুষ্ঠির প্রতিনিধিত্ব করতে পেরেছি হরিজন চলচ্চিত্রে। অভিনয় কেমন করেছি সেটা দর্শকরা বিবেচনা করবন। কিন্তু ছবির গল্প, নির্দেশনা, নিমাণশৈলী আমাকে মুগ্ধ করেছে। মুগ্ধ করেছে জয়ন্ত দাদা ও রোকেয়া প্রাচি সহ সহ শিল্পীদের অভিনয়। সেন্সর বোর্ডের একজন প্রভাবশালী সদস্য যখন আমাকে ফোন করে আমার অভিনয়ের প্রশংসা করেন তখন কাজ করার সর্থকতা খুঁজে পাই। চোখ ভিজে উঠে অজানা ভাললাগায়।আমার জন্য  এ এক অবিস্মরনীয় মূহুর্ত। ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।’
উল্লেখ্য ইদানীং অনুদান প্রাপ্ত সাধারণত চ্যানেল গুলোতেই সীমাবদ্ধ থাকলেও হরিজন বেশ কয়েকটি সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে। এটা আমাদের দেশের চলচ্চিত্রের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। সিনেমাটি ১০টি হলে মুক্তি দেবেন বলে  পরিবেশক সংস্থা টি ও টি ফিল্মস সময় নিউজকে জানিয়েছন।

Leave a Reply

  • (not be published)